আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।।
বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী আবদুল করিম রাজীব (১৭) ও দিয়া খানম মিম (১৬) নিহতের ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ (রোববার) ।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশ বিকেল তিনটার দিকে এ রায় ঘোষণা করবেন। রায়ে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছেন রাষ্ট্রপক্ষ। অপরদিকে, নিহত দিয়ার আত্মা শান্তি পাবে- এমন রায় চান তার বাবা।
ইতোমধ্যে রায় শোনার জন্য কারাগারে থাকা চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।
জাবালে নূর পরিবহনের মালিক জাহাঙ্গীর আলম, দুই চালক মাসুম বিল্লাহ ও জুবায়ের সুমন এবং তাদের সহকারী এনায়েত হোসেনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। রায় ঘোষণার আগে তাদের আদালতে উঠানো হবে।
ঘটনার দিন দুপুরে চালক ও তাদের সহকারীরা বেশি লোক ওঠানোর লোভে যাত্রীদের কথা না শুনে এবং তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে জিল্লুর রহমান উড়াল সড়কের ঢালের সামনে রাস্তা ব্লক করে দাঁড়ান। এসময় আরেকটি বাসের চালক মাসুম বিল্লাহ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ১৪-১৫ শিক্ষার্থীর ওপর গাড়িটি উঠিয়ে দেন। ঘটনাস্থলেই দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। আহত হন নয়জন।
জাবালে নূরের যে তিন বাসের রেষারেষিতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে, সেগুলোর নিবন্ধন নম্বর হলো-ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৯২৯৭, ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৭৬৫৭ এবং ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৭৫৮০। এর মধ্যে ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৯২৯৭ নম্বর বাসের চাপায় নিহত হন দুই শিক্ষার্থী। বাসটি চালাচ্ছিলেন মাসুম বিল্লাহ।
ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৭৬৫৭ নম্বর বাসের চালক ছিলেন জুবায়ের এবং ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৭৫৮০ নম্বর বাসের চালক ছিলেন সোহাগ।
মামলায় আসামি করা হয় ছয়জনকে। তাদের মধ্যে জাবালে নূর পরিবহনের মালিক জাহাঙ্গীর আলম, দুই চালক মাসুম বিল্লাহ ও জুবায়ের সুমন এবং তাদের সহকারী এনায়েত হোসেন কারাগারে। জাবালে নূর পরিবহনের আরেক মালিক শাহাদাত হোসেন জামিনে রয়েছেন। তার পক্ষে মামলা উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে। চালকের সহকারী কাজী আসাদ এখনও পলাতক।